পাল্লাটি আসলে কী মাপে
সহমর্মিতা মাপে মনের কোমল দিকটা: অন্যের অবস্থা আপনাকে কত সহজে নাড়ায়, আর সিদ্ধান্তের সময় সেই নাড়া কতটা ওজন পায়। বিবৃতিগুলো জানতে চায় কারও অভাব দেখে আপনার ভেতরে কিছু নড়ে ওঠে কি না, কঠিন সময়ে পড়া মানুষকে আপনি ছাড় দেন কি না, আর করুণাকে আপনি সিদ্ধান্তের ন্যায্য ভিত্তি মনে করেন কি না। শেষ পর্যন্ত আপনি কী করলেন, পাল্লাটি তা একবারও জিজ্ঞেস করে না। জিজ্ঞেস করে অনুভূতিটা ভেতরে কত জোরে এসে পৌঁছায়।
দিকটির বসার জায়গা সৌহার্দ্যের একেবারে কিনারায়, আর প্রতিবেশীরাই দেখিয়ে দেয় কেন। মাত্রার ভেতরে এর সবচেয়ে কাছের সঙ্গী পরোপকার, সম্পর্ক 0.63, আর ছয় দিকের মধ্যে ওটাই সবচেয়ে ঘন জোড়া। মাত্রার বাইরে গোটা টেস্টে এর সবচেয়ে জোরালো যোগ আবেগের গভীরতা, 0.43, যেটি আসলে উন্মুক্ততার একটি দিক, নিউরোটিসিজমের নয়। কোমল মন তাই যতটা দয়ার আত্মীয়, প্রায় ততটাই অনুভূতির দিকে খোলা থাকার আত্মীয়।
স্কোর বলে কোথায় কাঁটাটা বসানো আছে, সেদিন আপনার মন কেমন ছিল তা নয়। সত্যিকারের কষ্টের ঠিক পাশে দাঁড়ালে স্বভাব যেমনই হোক মানুষ নড়ে ওঠেন। এই দিকটি বলে সাধারণ একটা দিনে আপনি কোথায় ফিরে আসেন, যখন খারাপ খবরটা অন্য কারও আর আপনার কাছে কিছুই চাওয়া হয়নি।
গবেষণার লেখায় একই পাল্লা সাধারণত Tender-Mindedness নামে চলে, আর পুরোনো ধারার কাজ এই এলাকাটিকে ডাকে মানবিক ঝোঁক বলে। এখানকার বিবৃতির শব্দ এসেছে জনসনের প্রকাশ করা উন্মুক্ত IPIP ভান্ডার থেকে, কোনো বাণিজ্যিক প্রশ্নমালা থেকে নয়।