পাতাটা কোন সরু পাল্লার কথা বলছে
বাংলায় সহযোগিতা শব্দটা দিয়ে গোটা সৌহার্দ্য মাত্রাটাকেই বোঝানো যায়, তাই সীমানাটা শুরুতেই টেনে নেওয়া ভালো। এই পাতা মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকা নিয়ে নয়। এখানকার দশটি বিবৃতি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটাই সরু প্রশ্ন করে: দুটো স্বার্থ যখন একসঙ্গে আঁটছে না, তখন আপনি কী করেন। তর্কে জড়ানো, কড়া কথা বলে ফেলা, অপমানের হিসাব মনে রেখে দেওয়া, বিবৃতিগুলোর ঘোরাফেরা এই এলাকাতেই। দশটির সাতটি লেখা আছে বৈশিষ্ট্যের উল্টো দিক থেকে, তাই উঁচু স্কোর মূলত গড়ে ওঠে সেই ঘর্ষণ দিয়ে, যা কখনো ঘটেইনি।
দিকটি বসে সৌহার্দ্যের ভেতরে, যে মাত্রা ধরে রাখে চারপাশের মানুষের সঙ্গে আপনার ব্যবহারটুকু, আর ছয় বোনের মধ্যে সেই মাত্রার প্রতিনিধি হিসেবে এই দিকটিই সবচেয়ে ভালো: বাকি পাঁচটিকে একসঙ্গে ধরলে সম্পর্ক দাঁড়ায় 0.65, যেখানে পরোপকারের 0.64 আর বিনয়ের মাত্র 0.26। ঘরের ভেতরে সবচেয়ে ঘন আত্মীয়তা অকপটতার সঙ্গে, 0.58।
সংখ্যাটা বলে থিতু হয়ে বসা একটা মাপের কথা, কোনো একটা দিনের কথা নয়। হাসপাতালের কাউন্টারে সবাই জায়গা ছেড়ে দেন, ভুল করে ধরানো জরিমানা নিয়ে সবাই তর্ক করেন। এই পাল্লা ধরে সেই সাধারণ অবস্থাটা, যেখানে কেউ আপনার হাত মুচড়ে ধরেনি, আর বছর পেরোনোর সঙ্গে সেই অবস্থা ধীরে উপরের দিকে সরে: আমাদের মানদণ্ডে সবচেয়ে বেশি বয়সের দলগুলো সবচেয়ে কম বয়সের দলের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ পয়েন্ট উপরে দাঁড়িয়ে আছে।
গবেষণার প্রশ্নমালায় ঠিক এই এলাকাটিকে সাধারণত ডাকা হয় compliance বা ছাড় দেওয়ার প্রবণতা নামে, আর এর দূরের প্রান্তটিকে লেখা হয় সংঘাতমুখী ধরন হিসেবে। এখানকার দশটি বিবৃতি এসেছে জনসনের প্রকাশ করা উন্মুক্ত IPIP ভাণ্ডার থেকে, কোনো বাণিজ্যিক প্রশ্নমালা থেকে নয়।