পাল্লাটি ঠিক কী জিজ্ঞেস করে
পাল্লাটি জানতে চায়, নিজেকে আশপাশের মানুষের চেয়ে ভালো ভাবার কথাটা আপনার কাছে কতটা স্বস্তির। বিবৃতিগুলো ঘোরে শ্রেষ্ঠত্বের বোধ, বাড়তি মনোযোগের দাবি আর ঘরের গুরুত্বপূর্ণ মানুষটি হয়ে বসে থাকার আরামের চারপাশে। একটিও জিজ্ঞেস করে না আপনি জীবনে কী করে ফেলেছেন, তাই প্রায় একই তালিকা নিয়ে দুজন মানুষ পাল্লার দুই মাথায় দাঁড়াতে পারেন: এখানে গোনা হয় দাবিটা, দাবির পেছনের জিনিসটা নয়।
নিজের মাত্রার সঙ্গে এই দিকের বাঁধন গোটা টেস্টের সবচেয়ে ঢিলে বাঁধন। বাকি পাঁচটি দিক একসঙ্গে নিলে সম্পর্ক দাঁড়ায় 0.26, ত্রিশটির মধ্যে সবচেয়ে ছোট, আর মাত্রার মোট স্কোরের সঙ্গে 0.48, সেটাও সবার নিচে। বোনদের এক এক করে ধরলে গড় 0.20, আবারও ত্রিশটির তলার সংখ্যা, আর আস্থার সঙ্গে যোগ শূন্য পেরিয়ে সামান্য উল্টো দিকে, মাইনাস 0.06। মানুষের প্রতি উষ্ণতা আর নিজেকে নিয়ে চুপ থাকা আলাদা দুটি প্রশ্ন, অথচ মাত্রা তাদের একটিমাত্র সংখ্যায় জমা দেয়।
স্কোরটা একটা থিতু অভ্যাসের কথা বলে, সেদিনকার মেজাজের নয়। নিজের অবস্থান নিয়ে মানুষ যেভাবে চলে, কুড়ি বছর বয়সে আর ষাট বছর বয়সে সেটা প্রায় একই রকম দেখায়, আর আমাদের মানদণ্ডে গোটা জীবনজুড়ে এই পাল্লা নড়ে ত্রিশটি দিকের প্রায় সবার চেয়ে কম। যে সভায় আপনি নিজের কাজের কথা তুললেন, কিংবা তুললেন না, সেই একটা দিনের খবর এখানে খুঁজে পাওয়া যাবে না।
গবেষণার লেখায় পাল্লাটি Modesty নামেই চলে, আর ছয় ফ্যাক্টরের HEXACO ছকে কাছাকাছি এলাকাটি পড়ে Honesty-Humility, বাংলায় সততা ও নম্রতা, নামের ফ্যাক্টরের ভেতরে। এখানকার বিবৃতিগুলোর উৎস জনসনের প্রকাশ করা উন্মুক্ত পুল, কোনো বাণিজ্যিক প্রশ্নমালা নয়।